ব্যানার ছেঁড়া নিয়ে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হুগলির আদি সপ্তগ্রাম

রাত থেকে শুরু হয় তুমুল গন্ডগোল। দুপক্ষের মধ্যে চলে মারপিট। লাঠির ঘায়ে বিজেপির দুজন কর্মীর মাথা ফেটে যায়। মগরা গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। সেখান থেকে আহত কর্মীদের চুঁচুড়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। আহত কর্মীদের নাম সন্তু বাউল দাস ও খোকন বাউল দাস।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল আদি সপ্তগ্রাম বিধানসভার রেনেরপাড়। বিজেপির অভিযোগ, কৃষি বিলের সমর্থনে ব্যানার লাগিয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। আদিসপ্তগ্রাম বিধানসভার বেশ কিছু এলাকায় সেই ব্যানার ছিড়ে দেন এলাকার তৃণমূলের কর্মীরা। তাই নিয়েই অশান্তির সূত্রপাত। তৃণমূল অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ব্যানার ছেড়ার বিষয়টি নজরে আসার পরেই পোলবা থানার গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতারা। এই নিয়ে রাত থেকে শুরু হয় তুমুল গন্ডগোল। দুপক্ষের মধ্যে চলে মারপিট। লাঠির ঘায়ে বিজেপির দুজন কর্মীর মাথা ফেটে যায়। মগরা গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। সেখান থেকে আহত কর্মীদের চুঁচুড়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। আহত কর্মীদের নাম সন্তু বাউল দাস ও খোকন বাউল দাস।

মঙ্গলবার আহতদের হাসপাতালে দেখতে যান বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি কল্যান বোলেল। সঙ্গে ছিলেন দলের স্বাস্থ্য সেলের কনভেনার রবীন ঘোষ, আদিসপ্তগ্রাম মণ্ডলের সভাপতি সোমনাথ মৈত্র-সহ অন্য নেতারা। তাঁরা অভিযোগ করেন, জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির লাগানো হোর্ডিং-ব্যানার খুলে নিচ্ছে তৃণমূল। কল্যাণবাবু বলেন, ‘‘নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই লাগামছাড়া হচ্ছে তৃণমূলের সন্ত্রাস। বিজেপিকে ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা। কিন্তু এভাবে মানুষের কাছ থেকে বিজেপিকে সরিয়ে রাখা যাবে না।’’

বিজেপির আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন, ‘‘তৃণমূল ব্যানার ছেঁড়েনি। সাধারণ মানুষই কৃষক বিরোধী কেন্দ্র সরকারের কৃষি বিল সহ বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ দেখাচ্ছেন। তারই ফলশ্রুতিতে এই ঘটনা। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।’’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More