বিজেপিতেই গেলেন ডানকুনির সভায় আবেগে কেঁদে ফেলা সেই তৃণমূল নেতা

কৃষ্ণেন্দু দীর্ঘদিনের তৃণমূল কাউন্সিলর ছিলেন। ৯৮ সাল থেকে তৃণমূলে ছিলেন। চণ্ডীতলার বিধায়ক স্বাতী খন্দকারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তৃণমূল ছেড়ে, স্বাতী খন্দকারের সঙ্গ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় আবেগ চেপে রাখতে পারেননি তিনি। প্রকাশ্যেই কেঁদে ভাসিয়েছিলেন।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: অবশেষে বিজেপিতেই যোগ দিলেন কৃষ্ণেন্দু মিত্র। গত ৩১ ডিসেম্বর ডানকুনিতে দিলীপ ঘোষের যোগদান মেলায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ডানকুনি পুরসভার পুর প্রশাসক মণ্ডলীর এই সদস্যের। সেদিন শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে আসেন। শনিবার অবশ্য সব আবেগ ঝেড়ে ফেলেই বিজেপিতে যোগ দিলেন।

কৃষ্ণেন্দু দীর্ঘদিনের তৃণমূল কাউন্সিলর ছিলেন। ৯৮ সাল থেকে তৃণমূলে ছিলেন। চণ্ডীতলার বিধায়ক স্বাতী খন্দকারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তৃণমূল ছেড়ে, স্বাতী খন্দকারের সঙ্গ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় আবেগ চেপে রাখতে পারেননি তিনি। প্রকাশ্যেই কেঁদে ভাসিয়েছিলেন।

সেদিন বিধায়ক তাঁকে বিজেপিতে যোগ দিতে বারন করে ফোন করেছিলেন। তাই দিলীপ ঘোষের সভায় এসেও বিজেপিতে যোগ না দিয়ে ফিরে যান। সেদিন কৃষ্ণেন্দু মিত্রকে সভায় কিছু বলতে দেওয়া হয়নি। যোগদান পর্ব হয়েছিল সভা শেষে। তাই বিজেপির মঞ্চে উঠেও বাড়ি ফিরে যান কৃষ্ণেন্দু। অভিমানে জানিয়েছিলেন আর রাজনীতি করবেন না। দু’মাস পর শনিবার ডানকুনিতে বিজেপির সভায় পদ্মফুলের ঝান্ডা হাতে তুলে নিলেন তিনি। বক্তব্যও রাখলেন।

কেন তৃণমূল ছাড়লেন, সেই যুক্তি দিতে গিয়ে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে সরব হন তিনি। এদিন অবশ্য আর কাঁদেননি। হাসি মুখেই বিজেপির মঞ্চে দেখা যায় কৃষ্ণেন্দু মিত্রকে।

তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন, ‘‘কৃষ্ণেন্দুবাবু মাস দুয়েক ধরেই বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলছিলেন। তৃণমূলের কোনও কর্মসূচিতেও দেখা যায়নি তাঁকে। তাই হঠাৎ করে তিনি দল ছেড়েছেন এটা বলা যাবে না। এখন ভোটের মরসুম। দলবদল চলছে। এতদিন যে দলে ছিলেন সেই দলের বিরুদ্ধে এখন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন। মানুষ এসব বোঝে। মানুষই বিচার করবে।’’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More