চা শিল্প বাঁচাতে বাজেটের আগে কেন্দ্রের কাছে প্যাকেজ চাইলেন বাগান মালিকরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো, শিলিগুড়ি: বাজেটের আগে কেন্দ্রের কাছে ৬ দফা আবেদন জানাল চা–মালিকদের সংগঠন। শুধু তাই নয়, চা–শিল্প নিয়ে সরকারের কেমন ভূমিকা তাঁরা আশা করছেন সে সম্পর্কেও কেন্দ্রকে অবগত করলেন চা–মালিকরা।

মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি জ্যোতি যাদব এবং টি–বোর্ডের ডেপুটি চেয়ারম্যান এ রায়ের সামনে চা শিল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য তুলে ধরেন চা–মালিক সংগঠনের কর্তারা। টি–বোর্ডের ডাকা এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লাও।

বাজেটের আগে আরও একবার যে আবেদনগুলি  রাখা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে পূর্ণাঙ্গ চা–বাগানগুলির জন্য কেন্দ্রীয় প্যাকেজ ঘোষণা, চা–শিল্পের জন্য ২ শতাংশ প্যাকেজ ঘোষণা ও চা–শিল্পের জন্য ২ শতাংশ টিডিএস মুকুবের দাবি। বিভিন্ন সমস্যায় যে চা–বাগানগুলি বন্ধ রয়েছে সেই বাগানগুলো চালুর জন্য উদ্যোগী হতেও আহ্বান জানানো হয়েছে কেন্দ্রকে। পাশাপাশি বন্ধ চা–বাগানের শ্রমিকদের বেতন, বকেয়া গ্র‌্যাচুইটি মিটিয়ে দেওয়া ও পিএফের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রের সহযোগিতার দাবি জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের সহযোগিতা থাকলে বড় বড় চা কোম্পানি বন্ধ চা–বাগানগুলির দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসবে এমনটাই মনে করছে চা মালিকদের সংগঠনগুলো। চায়ের ন্যূনতম দাম ঠিক করারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

আগে পূর্ণাঙ্গ চা–বাগানে কারখানার মেশিন সহ যাবতীয় পরিকাঠামোর সংস্কারে আর্থিক সহায়তা দিত টি–বোর্ড। অভিযোগ, তিন বছর ধরে তা বন্ধ। প্যাকেজটি ফের চালু হলে অনেক খোলা চা–বাগান উপকৃত হত বলেও মনে করছেন চা–মালিকরা। টি অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার সচিব রাম অবতার শর্মা বলেন, ‘‘‌উত্তরবঙ্গে চা–শিল্পে সমস্যা রয়েছে। অনেক পূর্ণাঙ্গ চা–বাগান অলাভজনক। বাগান যেহেতু অলাভজনক স্বাভাবিকভাবেই ব্যাঙ্ক ঋণ দেয় না। নিজেদের আর্থিক সমস্যা মেটাতে অনেক বড় চা–শিল্প গোষ্ঠী নিজেদের বাগান বিক্রি করেছে। কেন্দ্রীয় প্যাকেজ কেন, কি কি কারণে প্রয়োজন?‌ তা আমরা বৈঠকে তুলে ধরেছি।’‌’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More