করোনা অক্রান্তের মায়ের সহকর্মীদের বাড়িতে রাখার চিন্তা নবান্নের, সতর্কতা মহাকরণেও

শুধু নবান্নেই নয়, মহাকরণেও ওই আমলার দফতর ছিল। নবান্নের পরে পরে মহাকরণের সেই ঘরও সিল করে দেওয়া হয়েছে। ওই ঘরের আশপাশে যেসব অফিসাররা বসেন তাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছেলের করোনা সংক্রমণ নিশ্চিত। মা, বাবার লালরসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে নাইসেডে। এই পরিস্থিতিতে নবান্নে জোর সতর্কতা। সূত্রের খবর, ওই আমলার সহকর্মীরা যাতে বাড়ি থেকে কাজ করেন সে ব্যাপারে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে নবান্ন। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য ভবন তেমনই নির্দেশ দিয়েছে বলে খবর।

শুধু নবান্নেই নয়, মহাকরণেও ওই আমলার দফতর ছিল। নবান্নের পরে পরে মহাকরণের সেই ঘরও সিল করে দেওয়া হয়েছে। ওই ঘরের আশপাশে যেসব অফিসাররা বসেন তাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আজ থেকেই মহাকরণের সব ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবারই এক তরুণের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি জানা গিয়েছে। তিনি রাজ্যে সরকারের এক আমলার ছেলে। ছেলের সংস্পর্শে আসা ওই আমলা নবান্নে যাওয়ার জেরেই বুধবার সকাল থেকে রাজ্য সচিবালয়ে জীবাণুমুক্তকরণের কাজ শুরু হয়। এবার সেই কাজ শুরু হল মহাকরণেও। এছাড়াও নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আমলার সংস্পর্শ আসা নবান্নের বেশ কয়েক জন কর্মীকে গৃহ-পর্যবেক্ষণে পাঠানোর কথা ভাবছে স্বাস্থ্য দফতর। শীঘ্রই ওই কর্মীদের স্বাস্থ্য দফতর থেকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

রাজ্যের প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত তরুণের মা নবান্নে কর্মরত। তিনি নিজেও এখন বেলেঘাটা আইডি-র আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। রবিবার তাঁর ছেলে লন্ডন থেকে ফেরেন। ছেলের দেহে করোনাভাইরাসের প্রমাণ মেলে মঙ্গলবার রাতে। কিন্তু, সোমবার দিনভর ওই আমলা নবান্নে ছিলেন। অফিসের কর্মীরাও সোমবার ওই পদস্থ আমলার সংস্পর্শে এসেছেন। সেই কারণেই প্রথম দফায় ওই আমলার অফিসের কয়েক জন কর্মীকে আপাতত গৃহ-পর্যবেক্ষণে থাকতে বলা হতে পারে। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখা হচ্ছে ওই আমলা আর কার কার সংস্পর্শে এসেছিলেন। তাদেরকেও বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.