টিকার সেকেন্ড ডোজ নেয়নি বহু মানুষ, খুঁজতে বেরোচ্ছে নবান্ন

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড টিকার (Covid Vaccine) প্রথম ডোজ নেওয়ার পরে সময় পেরিয়ে গেলেও সেকেন্ড ডোজ নিচ্ছেন না অনেকেই। কোভিশিল্ড টিকার একটি ডোজ নেওয়ার পরে ৮৪ দিন পেরিয়ে গেলেও সেকেন্ড ডোজ নিতে আসেননি এমন লোকজনের সংখ্যা চমকে দেওয়ার মতো। কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রেও তাই। তাই সেকেন্ড ডোজ নিচ্ছেন না যাঁরা তাঁদেরই এবার খুঁজে বের করতে চলেছে নবান্ন। স্বাস্থ্য দফতরের উদ্যোগে জেলায় জেলায় ঘুরে তল্লাশি চালানো হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এমন লোকজনকে খুঁজে বের করার বড় দায়িত্ব নিচ্ছে রাজ্য সরকার।

শুক্রবার সমস্ত জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। তিনি বলেন, ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার পরে সেকেন্ড ডোজ নেওয়ায় অনীহা দেখা যাচ্ছে অনেকের। সময় পেরিয়ে গেলেও ডোজ নিতে আসছেন না লোকজন। সেক্ষেত্রে কতজন বাকি পড়ছে, কারা সেকেন্ড ডোজ নিচ্ছেন না তার একটা তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেন জেলাশাসকদের। মুখ্যসচিব বলেন, টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিচ্ছেন না যাঁরা, তাঁদের কী ভাবে ডোজ নেওয়ানো যায় তার একটা পরিকল্পনা করা দরকার। সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে খোঁজ নিতে পারেন। এতে টিকাকরণ প্রক্রিয়াও দ্রুত গতিতে হবে।

স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট বলছে, কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পরে সময় পেরিয়ে গেলেও দ্বিতীয় ডোজ নেননি ৪ লাখ ৮০ হাজার, আর কোভিশিল্ড টিকার ক্ষেত্রে সেকেন্ড ডোজ নেননি কম করেও ১৩ লাখ।

স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক বলছেন, এমনও দেখা গেছে ভ্যাকসিনের সেকেন্ড ডোজ নেওয়ার সময় আলাদা মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রি করিয়েছেন কেউ, বা আধার অথবা প্যান কার্ডের নম্বর ঠিকমতো দেওয়া হয়নি, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির নামই সরকারি খাতায় নথিভুক্ত হয়নি। তাই সেকেন্ড ডোজ নেওয়ার পরেও পোর্টালে নাম ওঠেনি অনেকের। এই সমস্যা দূর করার জন্যই বাড়ি বাড়ি ঘুরে খোঁজখবর নেওয়া হবে।

আদানির বন্দরে পাকিস্তানি জাহাজে বোঝাই তেজস্ক্রিয়, যাচ্ছিল চিনে

বছর শেষের আগেই দেশের প্রাপ্তবয়স্কদের সকলকেই টিকার অন্তত একটি করে ডোজ দেওয়ার বৃহত্তর পরিকল্পনা আছে মোদী সরকারের। সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গও। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট বলছে, রাজ্যে এখনই ৬ কোটি মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে নেই কলকাতাও। সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্র মিলিয়ে এ শহরে টিকার প্রথম ডোজ প্রাপকের সংখ্যা প্রায় দেড়শো শতাংশের কাছাকাছি।

ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্যবাসীকে কোভিড ভ্যাকসিনের একটি করে ডোজ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা আছে নবান্নেরও। টিকাকরণে গতি আনতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অসুস্থ ও শয্যাশায়ীদের টিকার ডোজ দেওয়ার বড় উদ্যোগও নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। কোথায় টিকার ঘাটতি হচ্ছে, ডোজ পাচ্ছেন না মানুষজন সেইসব খোঁজও নেওয়া হবে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকাসুখপাঠ

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.