রেজাল্ট ক্লিয়ারের দাবিতে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে উত্তাল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রছাত্রীরা জানান,তাঁদের সব ক’টি সেমেস্টারের পড়া শেষ হয়েছে। তাঁরা একটা ফাইনাল মার্কশিটও পেয়েছেন। কিন্তু পূর্বতন কোনও বছরের একটি বা দু’টি বিষয়ে সাপ্লি রয়েছে। রেজাল্ট ক্লিয়ার করানোর জন্য বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ধর্না দিয়েও লাভ হয়নি।

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: আবার ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল হল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। বারেবারে একই দাবি নিয়ে এসেও কোনও সুরাহা হয়নি। এমনটাই বক্তব্য ছ’শোর বেশি ছাত্রছাত্রীর। অসম্পূর্ণ থাকা ফলের বিষয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানাতে শুক্রবার দিনভর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা।

ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ তাঁদের দাবির প্রতি উদাসীন। এমনকি শুক্রবার দিনভর আন্দোলন চললেও কেউ এসে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেনি। আন্দোলনকারীদের পক্ষে বিক্রম মণ্ডল জানান, তাঁর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বিভিন্ন কলেজের ছাত্র। তাঁদের সব ক’টি সেমেস্টারের পড়া শেষ হয়েছে। তাঁরা একটা ফাইনাল মার্কশিটও পেয়েছেন। কিন্তু পূর্বতন কোনও বছরের একটি বা দু’টি বিষয়ে সাপ্লি রয়েছে। রেজাল্ট ক্লিয়ার করানোর জন্য বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ধর্না দিয়েছেন তাঁরা। গত ৬ নভেম্বর এবং ১৩ ই নভেম্বরও তাঁরা তাঁদের দাবি জানিয়ে যান।কিন্তু ইসি সভার দিনে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়, নিয়মে নেই। তাই কিছু করা যাবে না।

ছাত্রছাত্রীদের দাবি, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলি একটি করে বিশেষ পরীক্ষা নিয়ে সমস্যার সমাধান করেছে। এখানেই বা হবে না কেন? এক ছাত্রী রেশমা খাতুন বলেন, ‘‘এটা ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের প্রশ্ন। সে সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উদাসীন। রেজাল্ট ক্লিয়ার না হওয়ায় আমরা পরবর্তী ধাপের শিক্ষায় অংশ নিতে পারছি না। চাকরির আবেদন করতেও পারছি না।’’

ছাত্রছাত্রীদের দাবি, কোনও ছাত্র হতাশায় ভুগে চরম সিদ্ধান্ত নিলে তার দায় বিশ্ববিদ্যালয়কেই নিতে হবে। এছাড়া এই অতিমারিজনিত পরিস্থিতিতে বারবার তাঁদের আসতে হচ্ছে। জমায়েত করতে হচ্ছে। রোগ সংক্রমিত হলে তার দায়ও কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অভিজিৎ মজুমদার বলেন, ‘‘এঁদের তিনবার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবুও এঁরা পাস করতে পারেনি। সুতরাং আমাদের আর কিছু করার নেই।’’

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.