ঝোপ থেকে উদ্ধার তৃণমূল সমর্থকের রক্তাক্ত দেহ, তুমুল চাঞ্চল্য রায়গঞ্জে

পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে মৃতের নাম মহম্মদ আলি (৫৫)। তাঁর বাড়ি রায়গঞ্জের শীতগ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণমুড়ি গ্রামে। যদিও তাঁর পরিবারের অভিযোগ পারিবারিক বিবাদের জেরেই খুন করা হয়েছে তাঁকে, কিন্তু ওই ব্যক্তি তৃণমুল সমর্থক হওয়ায় এই খুনের পিছনে রাজনীতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শাসকদল।

1

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: গ্রামের রাস্তার ধারে ঝোপে মধ্যে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল রায়গঞ্জে। বুধবার রায়গঞ্জের ৩নং মহীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহারাজা গ্রামের ঝুমঝুমিয়া ঝুপড়িকালী এলাকা ওই ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়।

পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে মৃতের নাম মহম্মদ আলি (৫৫)। তাঁর বাড়ি রায়গঞ্জের শীতগ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণমুড়ি গ্রামে। যদিও তাঁর পরিবারের অভিযোগ পারিবারিক বিবাদের জেরেই খুন করা হয়েছে তাঁকে, কিন্তু ওই ব্যক্তি তৃণমুল সমর্থক হওয়ায় এই খুনের পিছনে রাজনীতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শাসকদল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

স্থানীয় সুত্রে খবর, এদিন সকালে জমিতে কাজ করতে গিয়ে গ্রামবাসীদের একাংশ মৃতদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। মৃতের পরিবারের দাবি, বেশ কয়েকদিন ধরে টাকা পয়সা নিয়ে তাঁর ভাইপো সেকেন্দারের সাথে বচসা চলছিল তাঁর। তার জেরেই এই খুনের ঘটনা বলে অভিযোগ করেছেন মৃতের মেয়ে মামনি খাতুন।

ওই ব্যক্তি তৃণমুল কংগ্রেসের সমর্থক বলে জানা গেছে। এই খুনের পেছনে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় তৃণমুল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এলাকার তৃণমূল নেতা দীপক মিশ্র বলেন, ‘‘ভোটের আগে সর্বত্র সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে বিজেপি। সর্বত্র আমাদের দলের লোকেদের উপর হামলা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গেও ওরাই জড়িত।’’

যদিও এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে বিজেপি। বিজেপির স্থানীয় নেতা বৃন্দাবন রায় বলেন, ‘‘তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে সর্বত্রই অশান্তি হচ্ছে। মারামারি-খুন নিত্যদিনের ঘটনা। আজকের ঘটনাও তারই পুনরাবৃত্তি। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই।’’

খুনের ঘটনায় রহস্য ঘনীভুত হয়েছে। ঘটনাস্থলে স্নিফার ডগ নিয়ে যায় দিয়ে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। নিহতের পরিবারের আনা অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত সেকেন্দার আলিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.