জোট ভাঙলেও ত্রিপুরা নিয়ে বিজেপির নিন্দায় এক সুর সূর্য-অধীরের

1

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে প্রার্থী দেয়নি কংগ্রেস (Congress)। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হার নিশ্চিত জেনেও সিপিএম (CPM) প্রার্থী দাঁড় করিয়েছে। একইসঙ্গে বাংলায় জোটেও ছেদ পড়ে গিয়েছে। তা হলেও ত্রিপুরায় (Tripura) সিপিএমের একের পর এক পার্টি অফিসে আগুন লাগানোর ঘটনায় বৃহস্পতিবার এক যোগে বিজেপির (BJP) নিন্দায় সরব হলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

এদিন পুরুলিয়ায় দলের একটি সাধারণ সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন সূর্যবাবু। সেই সভার পর ত্রিপুরায় দলীয় দফতরে হামলার প্রতিবাদে মিছিলও করে সিপিএম। নেতৃত্ব দেন সূর্যবাবু। এদিন সূর্য মিশ্র বলেন, ত্রিপুরায় বর্ব্রোচিত হামলা চালিয়েছে বিজেপি। পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি গাড়িতেও আগুন লাগিয়েছে। কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাও হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন সূর্য।

কাবুলে নরওয়ের দূতাবাসে হানা তালিবানের, মদের বোতল, শিশুদের বই নষ্ট করার হুকুম

বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে অধীর চৌধুরী বলেন, ত্রিপুরায় সিপিএম পার্টি অফিসে যে হামলা হয়েছে তার নন্দা জানাই। যেখানেই এই ঘটনা ঘটুক তার প্রতিবাদ জানাব। সেইসঙ্গে লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা বলেন, ত্রিপুরায় বিজেপি যা করছে তা হল ক্ষমতার অপব্যবহার।

গত সোমবার থেকেই সিপিএম-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হতে থাকে ত্রিপুরা। মানিক সরকারের কেন্দ্র ধনপুরে সিপিএমের মিছিল ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলারও অভিযোগ ওঠে সিপিএমের বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটে ত্রিপুরায়। প্রথমে উদয়পুরে বিজেপি কর্মীদের সিপিএমের মার তারপর বিকেলে সিপিএমের রাজ্য দফতর সহ একাধিক পার্টি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। দুপুরে বিজেপি অভিযোগ করেছিল সিপিএম সন্ত্রাস চালিয়েছে। বিকেলে সিপিএম অভিযোগ করে বিজেপির বিরুদ্ধে।

বুধবার আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে আগরতলার মেলার মাঠে সিপিএমের রাজ্য দফতর দশরথ দেব স্মৃতি ভবনে। আগুন নেভাতে পৌঁছয় দমকল। সিপিএমের পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা দফতর আগরতলার ভানু ঘোষ স্মৃতি ভবন, বিশালগড় মহকুমা অফিসেও আগুন লাগানো হয়। সংবাদমাধ্যমের গাড়িতেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দফতরেও হামলা হয় বলে অভিযোগ। সমস্ত ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় গেরুয়া শিবির। রাজ্য দফতরে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে তখন মানিক সরকার ছিলেন শিশু বিহার স্কুলের পিছনে বাসভবনে। খবর পেয়েই সেখানে আসেন তিনি। মানিক সরকার বলেন, মানুষ ভয় ভেঙে রাস্তায় নামছে দেখে শাসকদল ভয় পেয়ে গেছে। কিন্তু এসব করে আটকানো যাবে না। সরকার সমস্ত ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আরও বেশি মানুষ রাস্তায় নামবেন। বৃহস্পতিবার সকালে আগরতলা শহরে বিরাট মিছিল করে সিপিএম সিপিএম।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য ম্যাগাজিন ‘সুখপাঠ’

You might also like
1 Comment
Leave A Reply

Your email address will not be published.