BREAKING: হঠাৎই শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে অভিষেক-পিকে, ফোনে কথা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’দিন আগেই তাঁর উদ্দেশে দলের এক সর্বোচ্চ নেতা বলেছিলেন, বিশ্বাসঘাতকদের কড়ায়-গণ্ডায় জবাব দেবে। তার পরে যে কোনও সমঝোতা বৈঠক হতে পারে কেউ ধারণাই করতে পারেননি। তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় অবশ্য দাবি করছিলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ হয়নি। এখনও খোলা রয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেখা গেল, সৌগতবাবু ভুল কিছু বলেননি। উত্তর কলকাতার একটি জায়গায় এদিন সন্ধ্যা থেকে সৌগতবাবুদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে সদ্য প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সেই বৈঠকে উল্লেখযোগ্য ভাবে উপস্থিত ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও পেশাদার ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর।

শুধু তাই নয়। একটি সূত্রের মতে, ওই বৈঠকের মধ্যে থেকেই শুভেন্দুর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা বলিয়ে দেওয়া হয়।বলে রাখা ভাল, শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের দাবি ২৩ জুলাইয়ের পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে শুভেন্দুর বাক্যালাপ নেই। ফোনেও কথা বন্ধ। সেদিক থেকে প্রায় চার মাস পর দুজনের কথা হল।

কিন্তু কী কথা হল?

বৈঠকের পর সৌগতবাবু সাংবাদিকদের বলেন, “অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কথা হয়েছে। আমি বলেছিলাম, শুভেন্দু দলে রয়েছে। ও কথা দিয়েছে দল ছেড়ে যাবে না। বাকিটা শুভেন্দু বলবে। আমি আর কিছু বলতে পারব না।”

তবে শুভেন্দু অধিকারী কিন্তু বাকিটা বলেননি। দ্য ওয়ালের তরফে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফোন তোলেননি। কোনও বৈদ্যুতিন মাধ্যমেও তাঁর প্রতিক্রিয়া, মত বা মন্তব্য দেখা যায়নি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কারণ, শুভেন্দু মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার পর রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা তো বটেই তৃণমূলের অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে তাঁর তৃণমূল ত্যাগ সময়ের অপেক্ষা। তা ছাড়া তার পর একাংশ নেতা যে ভাবে ঠারেঠোরে তাঁর সম্পর্কে মন্তব্য করতে শুরু করেছিলেন, তাতে সেই সন্দেহ আরও জোরদার হয়।

তবে হ্যাঁ এটা ঠিক যে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফার পরেও শুভেন্দু দল বা সরকার সম্পর্কে কোনও নেতিবাচক কথা বলেননি। শুধু দুটি ‘অরাজনৈতিক’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তার মধ্যে একটি অনুষ্ঠানে কেবল বলেছিলেন, ‘চরৈবেতি চরৈবেতি।’

এখন প্রশ্ন হল, বিরোধ-অসন্তোষের কি নিষ্পত্তি হয়ে গেল? পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, তা এখনই বলার হয়তো সময় আসেনি। শুভেন্দু ও শাসক দল ও সরকারের আগামী কদিনের গতিপ্রকৃতি কী হয়, দলীয় তরফে কোনও ঘোষণা হয় কিনা সে সবের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More