প্রধানমন্ত্রী ‘বাল মিত্র’দের কোভিড সচেতনতা বাড়ানোর দায়িত্ব দিলেন, মোদী-মমতার মডেলে বেশ মিল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় যখন প্রথম কোভিড ঝাপটা এসেছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সে সময়ে যুব সম্প্রদায়কে কোভিড ভলান্টিয়ার হওয়ার আহ্বাণ জানিয়েছিলেন। মঙ্গলবার দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তেমনই আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ফের যখন দেশে উথালপাতাল অবস্থা, তখন ‘বাল মিত্র’ তথা তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে সচেতনতা গড়ে তোলার আর্জি জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন জাতির উদ্দেশে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সকলে যদি কোভিড প্রটোকল মেনে চলি, সহিষ্ণুতা ও সংযম বজায় রাখি, তা হলে লকডাউনের প্রশ্নই নেই। আমি বাল মিত্রদের বলছি, তাঁরা যেন এই ব্যাপারটা সামাজিক মিশনের মতো গ্রহণ করেন। পরিবারের সদস্যদের পরিজনদের তাঁরা যেন বোঝান যে বিনা কাজে, বিনা প্রয়োজনে কেউ যেন বাড়ির বাইরে না যান”।

যথাযথ সচেতনতা গড়ে উঠলেই কোভিডের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিডের সংক্রমণ সম্পর্কে জনসাধারণকে আরও সচেতন করে তুলতে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশেও প্রচারের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর মোদী-মমতা সংঘাতের একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বারবার অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র কোভিড ভ্যাকসিন রাজ্যকে সরাসরি কিনতে দিচ্ছে না। মঙ্গলবার তিনি আবার এও অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের ঘাড়ে দায় চাপাতে চাইছে কেন্দ্র। কিন্তু এও লক্ষণীয় যে দ্বিতীয় ঝড়ের মুখে পড়ে দুজনের কেউই লকডাউন চাইছেন না। কারণ, তাঁদের মতে, তাতে সাধারণ মানুষের জীবিকা সংকটে পড়বে।

আগের বারের পরিস্থিতির সঙ্গে এবারের যে গুণগত ফারাক রয়েছে তাও এদিন উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “আগেরবারের পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। নমুনা পরীক্ষার পরিকাঠামো ছিল না। ওষুধের যোগান ছিল না। আজকে সেই অবস্থার বদল হয়েছে। টেস্টিং ল্যাবের বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে দেশে।” তিনি বলেন, “জানুয়ারি মাসের তুলনায় এখন এখন কোভিডের চিকিত্‍সার প্রয়জনীয় ওষুধ উত্‍প্রধানমন্ত্রী ‘বাল মিত্র’দের কোভিড সচেতনতা বাড়ানোর দায়িত্ব দিলেন, মোদী-মমতার মডেলে বেশ মিল
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় যখন প্রথম কোভিড ঝাপটা এসেছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সে সময়ে যুব সম্প্রদায়কে কোভিড ভলান্টিয়ার হওয়ার আহ্বাণ জানিয়েছিলেন। মঙ্গলবার দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তেমনই আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ফের যখন দেশে উথালপাতাল অবস্থা, তখন ‘বাল মিত্র’ তথা তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে সচেতনতা গড়ে তোলার আর্জি জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন জাতির উদ্দেশে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সকলে যদি কোভিড প্রটোকল মেনে চলি, সহিষ্ণুতা ও সংযম বজায় রাখি, তা হলে লকডাউনের প্রশ্নই নেই। আমি বাল মিত্রদের বলছি, তাঁরা যেন এই ব্যাপারটা সামাজিক মিশনের মতো গ্রহণ করেন। পরিবারের সদস্যদের পরিজনদের তাঁরা যেন বোঝান যে বিনা কাজে, বিনা প্রয়োজনে কেউ যেন বাড়ির বাইরে না যান”।

যথাযথ সচেতনতা গড়ে উঠলেই কোভিডের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিডের সংক্রমণ সম্পর্কে জনসাধারণকে আরও সচেতন করে তুলতে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশেও প্রচারের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর মোদী-মমতা সংঘাতের একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বারবার অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র কোভিড ভ্যাকসিন রাজ্যকে সরাসরি কিনতে দিচ্ছে না। মঙ্গলবার তিনি আবার এও অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের ঘাড়ে দায় চাপাতে চাইছে কেন্দ্র। কিন্তু এও লক্ষণীয় যে দ্বিতীয় ঝড়ের মুখে পড়ে দুজনের কেউই লকডাউন চাইছেন না। কারণ, তাঁদের মতে, তাতে সাধারণ মানুষের জীবিকা সংকটে পড়বে।

আগের বারের পরিস্থিতির সঙ্গে এবারের যে গুণগত ফারাক রয়েছে তাও এদিন উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “আগেরবারের পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। নমুনা পরীক্ষার পরিকাঠামো ছিল না। ওষুধের যোগান ছিল না। আজকে সেই অবস্থার বদল হয়েছে। টেস্টিং ল্যাবের বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে দেশে।” তিনি বলেন, “জানুয়ারি মাসের তুলনায় এখন এখন কোভিডের চিকিত্‍সার প্রয়জনীয় ওষুধ উত্‍পাদন অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তা আরও কী ভাবে বাড়ানো য়ায় সেই চেষ্টা চলছে।”

বিভিন্ন রাজ্যে অক্সিজেন সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলিতে অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির ব্যবস্থা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অক্সিজেন রেল চালু হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে এই সংকটের সময়ে কেন্দ্র, রাজ্য ও বেসরকারি সংস্থাগুলির সুষ্ঠু সমন্বয়ের কথা বলেছেন মোদী।

তবে সচেতনতা গড়ে তোলার উপরেই এদিন বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রামনবমী এবং রমজান পালনেও সংযমের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের যে ভাবে ঘরমুখো হওয়ার ছবি দেখা যাচ্ছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, রাজ্য সরকারগুলিকে অনুরোধ করব তারা যেন শ্রমিকদের ভরসা দেন। যে যেখানে রয়েছেন, সেখানেই থাকতে বলেন। তাঁদের টিকাকরণ সেখানেই হবে। কাজও বন্ধ হবে না।পাদন অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তা আরও কী ভাবে বাড়ানো য়ায় সেই চেষ্টা চলছে।”

বিভিন্ন রাজ্যে অক্সিজেন সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলিতে অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির ব্যবস্থা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অক্সিজেন রেল চালু হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে এই সংকটের সময়ে কেন্দ্র, রাজ্য ও বেসরকারি সংস্থাগুলির সুষ্ঠু সমন্বয়ের কথা বলেছেন মোদী।

তবে সচেতনতা গড়ে তোলার উপরেই এদিন বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রামনবমী এবং রমজান পালনেও সংযমের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের যে ভাবে ঘরমুখো হওয়ার ছবি দেখা যাচ্ছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, রাজ্য সরকারগুলিকে অনুরোধ করব তারা যেন শ্রমিকদের ভরসা দেন। যে যেখানে রয়েছেন, সেখানেই থাকতে বলেন। তাঁদের টিকাকরণ সেখানেই হবে। কাজও বন্ধ হবে না।

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More