মুখমন্ত্রীর প্রচারে নিষেধ: ‘গণতন্ত্রের কালা দিন’, টুইট করলেন রাজ, নুসরত, সায়ন্তিকারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার নির্বাচনে উত্তাপের পারদ ক্রমশই চড়ছে। আক্রমণ, প্রতিআক্রমণ ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একজোটে অভিযোগ তুলছেন বামজোট থেকে তৃণমূল, সকলেই। চতুর্থ দফা নির্বাচনের বিশৃঙ্খলা অনেক প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে সাধারণ মানুষকে।

আর এইসবের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধাজ্ঞা জারি করেন করেন মমতা ব্যানার্জীর ওপরে। রাজনৈতিক প্রচারে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার প্ররোচনা, হিংসায় উস্কানি এবং সর্বোপরি ভোটারদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ থেকে এবারের ভোটের ময়দানের সেলেব প্রার্থীরাও। ভাঙরের সাংসদ নুসরত জাহান রুহি টুইট করে লেখেন যে এই সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রের বিরোধী। শীতলকুচির ঘটনাকে টেনে এনে বলেন যে বিজেপির নেতাদের মন্তব্যের জন্য, তাঁদেরও নিষিদ্ধ করা উচিত!

অন্যদিকে, এই ঘটনাকে একবাক্যে বারাকপুরের তারকা প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী থেকে শুরু করে সোহম চক্রবর্তী সকলেই ‘কালা দিন’ বলে উল্লেখ করেছেন। ‘ব্ল্যাক ডে ফর ডেমোক্রেসি’ লিখে টুইট করেছেন তারকারা।

বাঁকুড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী এই বিষয়ে ট্যুইটারে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘যো হামসে টকরায়েগা, ওহ চুরচুর হো যায়েগা!’ এর পর হ্যাসট্যাগ দিয়ে তিনিও লেখেন যে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রের বিরোধী। তিনি লেখেন, ‘ব্ল্যাক ডে ফর ডেমোক্রেসি।’

তবে কমিশন শুধু মাত্র যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই প্রচার করতে নিষেধ করেছেন এমন নয়! বিজেপির নেতা রাহুল সিনহার প্রচারের ওপরেও ৪৮ ঘণ্টার নিষেদ্ধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্যেও খুশি হয়নি কমিশন, তাঁকেও কমিশনের তরফ থেকে হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের জন্য তাঁকেও নোটিশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন, ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে কাল সকালের মধ্যে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More