‘আমরা দাগীদের ভোটে জেতাতে পারলে জলপাইগুড়ি আসন জিতব না কেন’, বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহর মন্তব্য নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এবার জলপাইগুড়ির কর্মীসভায় বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জেলার দাপুটে নেতা তথা এসটি-এসসি সেলের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ দাস।

রবিবার জলপাইগুড়ি বিধানসভা এলাকার কর্মীদের নিয়ে সভা ডেকেছিল তৃণমূল। সেখানে কৃষ্ণবাবু বলেন, “আমরা যদি দাগিদের ভোটে জেতাতে পারি তাহলে শহরে এত তাবড় তাবড় নেতা এবং ভাল মানুষ থাকতে আসন জিতব না কেন?”

প্রসঙ্গত ষোলর ভোটে জলপাইগুড়ি আসন জিতেছিল বাম-কংগ্রেস জোট। সেখানকার বিধায়কদের কংগ্রেসের সুখবিলাস বর্মা। তা ছাড়া লোকসভা ভোটে জলপাইগুড়ি আসন হেরেছে তৃণমূল। জলপাইগুড়ি বিধানসভাতেও পিছিয়ে শাসকদল। এই পরিস্থিতিতে একুশের ভোটে জলপাইগুড়ি পুনরুদ্ধারে মরিয়া তৃণমূল।

কিন্তু কৃষ্ণ দাস কাকে দাগি বললেন? রাজনৈতিক মহলের অনেকের মতে, রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের সঙ্গে কৃষ্ণবাবুর সাপে-নেউলে সম্পর্ক। অনেকের ধারণা, তাঁকেই উদ্দেশ্য করে এ হেন কটাক্ষ করা হয়েছে।

যদিও সভায় উপস্থিত উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী গৌতম দেব এ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিনি বলেন, সুখবিলাস বর্মা স্থানীয় লোক নন। তাই জলপাইগুড়ির মানুষ তাঁকে আপদে-বিপদে পান না। পাল্টা সুখবিলাস বর্মা বলেন, গৌতম বাবুরমা আগে নিজের ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি আসন সামলান। ওখানে লোকসভার নিরিখে তৃণমূল ৮৬ হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছে।

এদিন পরিসংখ্যান তুলে সভায় বলা হয়, ১৬-র ভোটে ৪৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল তৃণমূল। উনিশের লোকসভায় পেয়েছিল ৩২ শতাংশ। অর্থাৎ তিন বছরে ১১ শতাংশ ভোট কমেছে শাসকদলের। যা তৃণমূলের চিন্তার বিষয় বলেই মত পর্যবেক্ষকদের অনেকের।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More