‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়!’ তৃণমূলের প্রচারে তারকা সাংসদ নুসরত, মিমি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার আসন্ন নির্বাচনে ফুলের কদর যে বেড়েছে তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে কোনওরকম দ্বিধা নেই। তবে সেই ফুল ‘জোড়া’ না ‘পদ্ম’ কী হবে হবে সেটার উত্তর সময়ই দেবে। তবে রাজনীতির ময়দানে ‘ফেস ভ্যালু’কে কাজে লাগাতে চায়ছেন প্রতিটা পক্ষই। যে যাঁর মতো করে খুঁজে নিচ্ছেন প্রচারের অভিনব অভিনব পন্থা। বামেদের ‘টুম্পা প্যারোডি’ থেকে পদ্মের ‘পিসি যাও’ সব কিছুরই মূলে রয়েছে জনসংযোগ।

তৃণমূল যে শনিবার স্লোগান প্রকাশ করবে তা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই মতো নির্ধারিত সাংবাদিক বৈঠকের আগেই ছবিতে স্লোগানে মুড়ে ফেলা হল তৃণমূল ভবন। নতুন স্লোগান, ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়।’

এই স্লোগানের প্রচারে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন দলের সমস্ত স্তরের নেতা মন্ত্রী সাংসদ ও কর্মীরা। বাদ যাচ্ছেন না তারকা সাংসদরাও। তাঁরাও ‘দিদিরদূত’-এর পরে শুরু করে দিয়েছেন ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ এর প্রচার।

অভিনেত্রী সাংসদ নুসরত জাহান থেকে মিমি চক্রবর্তী তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন ভোটের প্রচার। বিভিন্ন মঞ্চে সভাতে দেখা যাচ্ছে নুসরতকে। এবার তিনি তাঁদের নতুন স্লোগানকে হাইলাইট করে ট্যুইটারে পোস্ট করেন। বাদ যাননি আরেক তারকা সাংসদ মিমিও। সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন পুরোদমে। তিনিও ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ স্লোগান দিনে টুইট করেন।

এই স্লোগানের পরে নিশ্চিত ‘বাংলার মেয়ে’ই তৃণমূলের স্লোগানের বর্শাফলক। উনিশের লোকসভার আগে থেকেই বাঙালি সেন্টিমেন্টকে পুঁজি করে এগোতে চাইছে তৃণমূল। একুশের বিধানসভার আগে সেই স্লোগান পূর্ণতা পেল।

লোকসভা ভোটে ধাক্কা খাওয়ার পর প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাককে নিয়োগ করেছিল তৃণমূল। তারপর থেকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন স্লোগান ও কর্মসূচি করেছে বাংলার শাসকদল। কখনও ‘দিদিকে বলো’ তো কখনও ‘বাংলার গর্ব মমতা’। অনেকে বলেন, সর্বশেষ ‘দুয়ারে সরকার’ এবং ‘পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’ও পিকে-র টিমের মস্তিষ্ক প্রসূত। এবার ভোটের আগে স্লোগান ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়।’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More