ভিতরে মমতা, তৃণমূল ভবনের বাইরে ‘আমাদের দাবি মানতে হবে’ স্লোগান কর্মীদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিদি এমনিতে খুব বেশি তৃণমূল ভবনে যান না। কালীঘাটে বাড়ির অফিস থেকেই দলের কাজ সামলান। দরকার হলে ‘বক্সি-ববি-পার্থ-অরূপ’দের ডেকে নেন সেখানেই।

বিষ্যুদবার বিকেলে নবান্ন থেকে সোজা তপসিয়ার তৃণমূল ভবনে চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ভবনে প্রবেশ করার খানিকক্ষণ পরেই বাইরে একদল তৃণমূলকর্মী স্লোগান দিতে শুরু করেন।

হাতে জোড়া ফুলের পতাকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। আর মুখে স্লোগান, “আমাদের দাবি মানতে হবে…… মানতেই হবে!”

কিন্তু কী দাবি তাঁদের?
সাংবাদিকরা এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে তাঁরা বলেন, যা বলার দিদিকেই বলব! কিন্তু তাঁদের স্লোগান দেওয়াই সার হল! বিকেল পাঁচটা পঞ্চাশ নাগাদ ভবন থেকে বেরিয়ে যান মমতা। তারপর আবার সেই স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁরা।

মাস দেড়েক আগেও বিভিন্ন জেলার তৃণমূলের কর্মীরা ভবনের সামনে এসে ধর্নায় বসে পড়েছিলেন। তাঁদেরও বক্তব্য ছিল, দিদিকেই বলবেন। শেষমেশ রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি হস্তক্ষেপ করেন। সূত্রের খবর, তাঁদের সঙ্গে সুব্রতবাবু পরে বৈঠকও করেন। এদিন ফের একবার তৃণমূল সদরে স্লোগান উঠল। তবে এদিন ভিতরে ছিলেন স্বয়ং দিদি।

মমতা বেরিয়ে যাওয়ার পর এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমরা আমাদের দাবি নিয়ে বারবার আসছি। কিন্তু দল শুনছে না। এর আগে সুব্রত বক্সি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষোভকারীরা ধর্নায় বসে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, যতক্ষণ না সুরাহা হবে ততক্ষণ তাঁরা উঠবেন না। জানা গিয়েছে তাঁরা বিভিন্ন পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে বেতন বন্ধ। বারবার জানিয়েও লাভ হয়নি। তাই সদর দফতরের দুয়ারে এসেছেন তাঁরা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More