Browsing Tag

সায়ন্তন ঠাকুর

হাড়ের বাঁশি (চতুর্ত্রিংশ পর্ব)

ঋষার অচৈতন্য শরীরখানি পূজাশেষের কুসুমের মতো অপারেশন টেবিলে নিথর শুয়ে রয়েছে। চারপাশে একদল চিকিৎসক পরস্পরের মুখের দিকে একবার চাইলেন। যুবতি শরীরের বাম পায়ের ফিমার অস্থিটি ভেঙে দু-টুকরো, ডান হাতের আঙুলগুলি একদলা গঙ্গামাটির মতো নরম হয়ে একে-অপরের…

হাড়ের বাঁশি (ত্রাত্রিংশ পর্ব)

পাঁচ বৎসর পূর্বের দিনটি মনে পড়ছে। তখন তুমি চঞ্চলা প্রজাপতির মতো উজ্বল। আমারও বয়স কম এবং আমি চেষ্টা করছি আমার নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার। সেই অস্থির সময়ে তুমি এসেছিলে। প্রেমিকা নয়, বান্ধবী নয়, কোনও সম্পর্কও নয়, এক ভুবনহীন অলীক জগতের আখ্যান নিয়ে…

হাড়ের বাঁশি (দ্বাত্রিংশ পর্ব)

ঘাস ও শালপাতা ছাওয়া চালের কয়েকটি বাঁশের ঘর আর দশ বারোটি মহুয়া গাছ নিয়ে তৈরি হয়েছে এই ক্ষুদ্র 'ফালা' বা জনপদ। চারপাশে অনুচ্চ টিলা-পাহাড়, তারপর যতদূর চোখ যায় সাজি ও শাল গাছের গহিন অরণ্য। অদূরে যৌবনবতী চঞ্চলা নর্মদা এই প্রাচীন উপত্যকার মধ্য…

হাড়ের বাঁশি (একত্রিংশ পর্ব )

টাকাপয়সা মিটিয়ে দত্ত ট্র্যাভেল এজেন্সির আপিসের বাইরে পা দিয়ে সাত্যকি আলগোছে মুখ তুলে একবার আকাশের পানে চাইল-রাধাচূড়া ফুলের মতো রৌদ্রের ডিঙা ভেসে চলেছে নীল আসমানি গাঙে, পথেঘাটে ভিড় সামান্য কম, উজ্জ্বল দোকান বাজারে ঝলমল করছে নানাবিধ শৌখিন…

হাড়ের বাঁশি (ঊনত্রিংশ পর্ব)

আসন্ন সন্ধ্যার দুয়ারে বনস্থলী গৃহাভিমুখী পাখিদের কলরবে চঞ্চল। দূরে অস্পষ্ট মেঘাবৃত শৈলরাজির অঙ্গে দিনান্তের আলো অল্পক্ষণ পূর্বে তার উত্তরীয়খানি আনমনে ফেলে রেখে পশ্চিম দিগন্তে মিলিয়ে গেছে। বিস্মৃত প্রেমাখ্যানের মতো মন্দ মন্দ আলোয় নর্মদা…

হাড়ের বাঁশি (অষ্টবিংশ পর্ব)

অমরকণ্টক শহর থেকে মাইল সাতেক দূরে রেবার দক্ষিণতটে মৈকাল পাহাড়ের শীর্ষে অবধূত আশ্রমটি খুব বড়ো নয়, ডানহাতে মূল সন্ন্যাসী আবাস- একতলা সাদা বাড়ি। কাঠের নীচু গেট পার হয়ে সামনে লম্বা বারান্দা, চারপাশে সুবিশাল আমলকি, শাল, কাঁঠাল, আমগাছ নিঃসঙ্গ…

হাড়ের বাঁশি (সপ্তবিংশ পর্ব)

'আপনার প্রপিতামহ শঙ্করনাথ ভট্টাচার্য, আদি নিবাস মুর্শিদাবাদ জিলাস্থিত এড়োয়ালি গ্রাম। আমার অনুমান কি অভ্রান্ত?' প্রশ্ন শুনে ঋষা বিস্ময়ের চোখে একবার পাশে বসা মহেশ্বরবাবুর দিকে চেয়ে সাগ্রহে বৃদ্ধ পণ্ডিত ভৈরব চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসা করল,…

হাড়ের বাঁশি (পঞ্চবিংশ পর্ব)

বাগবাজার গঙ্গার ঘাট থেকে কয়েক পা দক্ষিণে মহেশ্বর সেনের পৈতৃক ভিটা। শতাব্দী প্রাচীন দ্বিতল গৃহটি জীর্ণ, ছোট লোহার গেট আর একফালি উঠোন পার হয়ে মূল ভদ্রাসন। পেছনে গাছপালা ঘেরা বাগান। দোতলায় অর্ধচন্দ্রাকৃতি বারান্দাটি অবশ্য এই গৃহের অলংকার।…

হাড়ের বাঁশি ( চতুর্বিংশ পর্ব)

রাত্রি প্রায় সাড়ে দশটা, হাওড়া স্টেশনে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেসের বাতানুকূল প্রথম শ্রেণির কামরায় একটি দ্বি-শয্যার ক্যুপে বসে নির্মলানন্দকে ফোন করল বন্যা, 'মহারাজ, ট্রেনে উঠে গেছি, দশটা পঞ্চাশে গাড়ি ছাড়বে।' ওপার থেকে ধীর কণ্ঠস্বর ভেসে এল,…

হাড়ের বাঁশি (ত্রয়োবিংশ পর্ব)

বাইরে থেকে দেখলে আপিস বলে বোঝাই যায় না। দিল্লির কন্‌ট প্লেসে অন্যান্য বহুতল আবাসনের মতো দেখতে অ্যাপার্টমেন্টটির নাম শিবা রেসিডেন্সি। বারোতলায় একটি সুবিশাল ফ্ল্যাটের বাইরের ঘরে সোফায় বসে রয়েছে পৃথ্বীশ। আরও চারজন অপরিচিত ভদ্রলোকও রয়েছে। সকলের…

হাড়ের বাঁশি (দ্বাবিংশ পর্ব)

সন্ধ্যার নিরাভরণ স্তিমিত আলোয় শ্যামানন্দ দেখলেন সুহাসিনী কিশোরী একখানি ক্ষুদ্র মাটির কলস নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাঁর দিকে তাকিয়ে পুনরায় মৃদু নূপুরধ্বনির মতো সুরে বলল, 'পানি লিজিয়ে বাবুজি, শিউজীকা শির পর চঁড়াইয়ে!' কলসটি দু হাতে নিয়ে শ্যামানন্দ…

হাড়ের বাঁশি (একবিংশ পর্ব)

'আষাঢ় অপরাহ্ণে মেঘ ছিন্ন করিয়া অস্ত আলোয় ভরিয়া যাইবে উঠান। কেহ কোথাও নাই। জনশূন্য ভিটার দক্ষিণে পুরাতন ঘাটপানে বাস্তুসাপ বুকে হাঁটিয়া আপনমনে চলিয়া যাইতেছে। বিরজা হোমাগ্নির ন্যায় বাতাস বহিতেছে চরাচরে- এইরূপ দৃশ্য মাঝে আমার মনে পড়িতেছে এক…

হাড়ের বাঁশি (বিংশ পর্ব)

বনবিহারীর যৌবনকালে আলবোটু ছিল। গুরু কলার পাঞ্জাবি পরে বেরোলে যুবতিদের হৃদয়ে তিরতির করে কাঁপন লাগত। বাবার সিন্দুক থেকে টাকা চুরি করে একবার পালিয়েছিল, বোম্বের ফিলিম ইস্টার হবে! বাসনা ছিল মনে। রাঢ়দেশে বলে, অম্বা তো কম নয়! একটি বালকের সামনে,…

হাড়ের বাঁশি (ঊনবিংশ পর্ব)

শ্রীচরণেষু বাবা আপনি আমার প্রণাম নেবেন। বড় ছেলের কোনও দায়িত্ব আমি পালন করতে পারিনি। আপনাদের কাউকে না জানিয়ে যোগ দিয়েছিলাম সেনাবাহিনীতে। সে সম্মানও আমি রাখতে পারিনি। তারা আমাকে মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই পরিত্যাগ করেছে। আপনি চিকিৎসক, জানেন,…

হাড়ের বাঁশি (অষ্টাদশ পর্ব)

স্বর্ণচাঁপায় সুবাস নাই। সারাদিন ধোঁয়ায় মলিন হয়ে থাকে কুসুম। হাতে নিলে আঙুলে মরা পোড়ার চিমসে গন্ধ লেগে যায়। এড়োয়ালি থেকে যে পথটি বীরভূমের দিকে চলে গেল সেটি ধরে বাজিতপুর শ্মশানকে বাম হাতে রেখে আরও সামনে এগিয়ে চলেছে দ্বারকা নদ। গা ঘেঁষে উঠে…

হাড়ের বাঁশি (সপ্তদশ পর্ব)

নির্মলানন্দের আশ্রম থেকে ফিরে মাহাতো হোম-স্টের ঘরে অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইল বন্যা। কার্তিক মাসের দ্বিপ্রহর প্রায় অপরাহ্ণের পথে তখন যাত্রা শুরু করেছে। কী একটা অচেনা পাখি অদূরে শিমুল গাছের মাথায় বসে ডেকেই চলেছে। পশ্চিমাকাশ ধীরে ধীরে যুবতির…

হাড়ের বাঁশি (ষোড়শ পর্ব)

ভটচায বাড়ির উত্তরের ঘরে পৃথ্বীশ একলা বসে রয়েছে, সামনের জানলায় প্রিয়সখার মতো আলতো পায়ে এসে দাঁড়িয়েছে কার্তিক মাস, ওপারে গুলঞ্চ গাছের পাতায় বাতাসের তিরতিরি নাচন লেগেছে। আরও দূরে ধূ ধূ মাঠ নিঃসঙ্গ পথিকের মতো কোন দূর দিকচক্রবালরেখার দিকে যেন…

হাড়ের বাঁশি ( পঞ্চদশ পর্ব )

কয়েক মাস পূর্বের ঘটনা, জলপথে সাগরদ্বীপ থেকে কুলপি হয়ে একখানি পানসি কলিকাতার দিকে চলেছে। ছ’জন মাঝি খুব জোরে দাঁড় বাইছে, ভাগীরথীর বুকে তরতর করে দক্ষিণে বয়ে চলছে নাও। ভাদ্র মাসের দ্বিপ্রহর, নদীর দুপাশে সবুজ কল্কাপেড়ে আঁচলখানি বিছিয়ে রেখেছে…

হাড়ের বাঁশি ( চতুর্দশ পর্ব)

বেলা প্রায় তৃতীয় প্রহর, পৌষ মাস, এর মধ্যেই রৌদ্র ম্লান হয়ে এসেছে। পথে লোকজন তেমন নাই, মাঝে মাঝে দু একটি কেরাঞ্চি গাড়ি চোখে পড়ছে। ছোট ও নীচু খাঁচার মতো দেখতে এই গাড়িগুলো টেনে নিয়ে যায় একজোড়া অস্থিচর্মসার বেতো ঘোড়া। কলিকাতার বাবুরা অবশ্য কেউ…

হাড়ের বাঁশি (ত্রয়োদশ পর্ব )

৬ এপ্রিল। ১৮২৩ প্রায় পাঁচ মাস হল কলিকাতায় এসেছি। গত মাস থেকে বাতাস এত তপ্ত হয়ে উঠেছে যে মনে হয় কোনও কারখানার বয়লারের সামনে দাঁড়িয়ে আছি! দ্বিপ্রহরে বাড়ির বাইরে যাওয়া যায় না। পথঘাটও শুনশান, মাঝে মাঝে দু একটি ফিরিওয়ালার ডাক শুধু শোনা যায়।…

হাড়ের বাঁশি (দ্বাদশ পর্ব)

বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে চৌরঙ্গির বড় রাস্তার দিকে আকুল নয়নে চেয়ে আছে মেরি, একটি করে গাড়ি যায় আর ভাবে এই বুঝি সূর্য এল! আজ বোধহয় সে আসতে পারবে না। কিন্তু আসার যে কথা ছিল! গতকাল শেষরাত্রি থেকে ঝড় শুরু হয়েছে। বৈঠকখানায় এসে জানলা খুলে কতক্ষণ যে…

হাড়ের বাঁশি (একাদশ পর্ব)

সন্ধ্যা হয়ে এসেছে, দিনান্তের আকাশ মলিন আলোয় কোনও বিদেশির আঁকা পটচিত্রের মতোই নিঃসঙ্গ, দূর পশ্চিমে ডানা মেলে একসারি বক কোথায় যেন উড়ে চলেছে। আষাঢ় মাস, তবে আজ মেঘ নাই, পুবালি বাতাস বইছে আপনমনে, কে একটা সিড়িঙ্গে মতো লোক কাঁধে মই নিয়ে দৌড়তে…

হাড়ের বাঁশি (দশম পর্ব)

কাঁসার বাটিতে রাখা কাতলা মাছের একবিঘত বড়ো পেটির দিকে তাকিয়ে ঈশ্বর রাওয়ের ইতস্তত ভাব দেখে ঋষা পাশ থেকে অল্প হেসে জিজ্ঞাসা করল, 'আর ইউ কমফোর্টেবল উইথ দিস?' স্নান শেষে একফেরতা করে সাদা ধুতি পরেছেন ঈশ্বর, গায়ে একখানি সাদা ফুলহাতা জামা,…

হাড়ের বাঁশি ( নবম পর্ব)

কড়ি বরগার ওপর উইপোকাদের নক্সা। আলকাতরা মাখানো হয়েছিল সেই বুড়ো কর্তার আমলে, তারপর আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে এসেছে কালো রঙ। দুটো তির ছাদ থেকে খসে পড়েছে গত বর্ষায়। পুরনো রাজমিস্ত্রি ফকির মোল্লা দেখে বলেছিল, —ছোটকত্তা ইবার জলছাতটা করন লাগবি…

হাড়ের বাঁশি (অষ্টম পর্ব)

মাহাতোর ঠিক করে দেওয়া একখানি টোটোয় চড়ে বন্যা যখন ভেন্দা গ্রামে পৌঁছল, তখন বেলা প্রায় দশটা, রৌদ্র আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠেছে চরাচরে, যতদূর চোখ যায় ঝুমকোলতার মতো আলো ফুল ফুটেছে সবখানে। অল্পবয়সী টোটো-চালক গাড়ি থামিয়ে বন্যার দিকে চেয়ে বলল, 'দিদি,…

হাড়ের বাঁশি (ষষ্ঠ পর্ব)

ঈশ্বর রাওয়ের সঙ্গে কাজ শেষ করে পৃথ্বীশ যখন নিজের ঘরে এল তখন প্রায় রাত্রি একটা বাজে, আসার আগে দ্বিধাগ্রস্ত স্বরে রাওকে আগামীকাল ছুটির কথা বলতেই মৃদু হেসে তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, 'এনিথিং সিরিয়াস রয়?' --নো স্যর নাথিং সিরিয়াস বাট সি ইজ…

হাড়ের বাঁশি (পঞ্চম পর্ব)

'তোমার যেন কবে যাওয়া?', বামদিকে কাচের বন্ধ জানলার ওপারে দিনান্তের মলিন আকাশের দিকে চেয়ে আনমনা স্বরে জিজ্ঞাসা করল বন্যা। কার্তিক মাসেও শিমশিম শব্দে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্রখানি বেজে চলেছে, কার্তিকের অপরাহ্ণ বড়ো দরিদ্র, দ্বিপ্রহরের শেষ…

হাড়ের বাঁশি (চতুর্থ পর্ব)

নদটির পোড়ো ঘাট,ছোট ছোট বাংলা ইঁট বের করা পৈঠা। নরম শ্যাওলার পরত, খালি পা রাখলে সবুজ রঙ লেগে যায় পায়ের তলায়। মোটা কাছি দিয়ে টুকরো একখান নৌকো বাঁধা থাকে দিনমান,এপার ওপার করে। এদিককার মোতিগঞ্জ থেকে ওদিকের সোনারুন্দি যায় আর আসে, আসে আর…

হাড়ের বাঁশি (চতুর্থ পর্ব)

নদটির পোড়ো ঘাট,ছোট ছোট বাংলা ইঁট বের করা পৈঠা। নরম শ্যাওলার পরত, খালি পা রাখলে সবুজ রঙ লেগে যায় পায়ের তলায়। মোটা কাছি দিয়ে টুকরো একখান নৌকো বাঁধা থাকে দিনমান,এপার ওপার করে। এদিককার মোতিগঞ্জ থেকে ওদিকের সোনারুন্দি যায় আর আসে, আসে আর…

হাড়ের বাঁশি (তৃতীয় পর্ব)

বারোশো সাতাত্তর বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাস, একটি গস্তি নৌকো ভাগীরথীর উপর ভেসে পশ্চিমদিকে চলেছে। আষাঢ় অপরাহ্ণ, কিছুক্ষণ পূর্বে বৃষ্টিস্নান শেষে প্রসাধনরতা জগৎ অষ্টাদশী যুবতির মতো উজ্জ্বল, বন্ধনহীন কেশরাজি মেঘরূপ ধারণ করে ছড়িয়ে রয়েছে…

হাড়ের বাঁশি (দ্বিতীয় পর্ব)

২ 'রাজা মহাশয়, আকস্মিক আপনার জ্যোতিষশাস্ত্রাদি অধ্যয়নের ইচ্ছা হইল কেন?' বৃদ্ধ পণ্ডিত শ্রী সেনাপতি চট্টোপাধ্যায়ের প্রশ্ন শুনে স্মিত হেসে শঙ্করনাথ ভট্টাচার্য বললেন, 'আমি সামান্য ভূস্বামী-আমাকে রাজা বলিয়া সম্বোধন করিয়া লজ্জায় ফেলিবেন না,…

হাড়ের বাঁশি (প্রথম পর্ব)

সায়ন্তন ঠাকুর ১ গহিন অরণ্যের মাঝে লজ্জাবতী দেহাতি কিশোরীর মতো চলে গেছে সুঁড়িপথ-দুপাশে সারি সারি শালাই আর সাজি গাছ। শালাইয়ের বর্ণ ধূসর আর সাজি ঘন কৃষ্ণবর্ণ- কে যেন পরম যত্নে একটি সাজি গাছের পাশে একখানি শালাই গাছ সাজিয়ে রেখেছে, পুনরায় একখানি…

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More