আকাশছোঁয়া ‘গরুড়’ মূর্তি, যার প্রতিটি কণায় মিশে আছে খ্রিস্টান মন্ত্রীর স্বপ্ন, মুসলিম রাষ্ট্রপতির আগ্রহ

'গারুদা উইষ্ণু কেনচানা' স্ট্যাচু্টি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল প্রায় দেড়শো মিলিয়ন ডলার। সময় লেগেছিল পঁচিশ বছর।

রূপাঞ্জন গোস্বামী

১৯৮২ সালে ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দফতরের অধিকর্তা হয়েছিলেন জুপ আভে। ইন্দোনেশিয়ার পর্যটনশিল্পের জনক বলা হয় জুপ আভেকে। পর্যটনশিল্পের উন্নতির জন্যে অনেক বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। তবুও তাঁর মনে শান্তি ছিল না। একটা দুঃখ কুরে কুরে খেত তাঁকে। পর্যটন শিল্পে এগিয়ে থাকা দেশগুলিকে পর্যটকেরা চেনেন দেশটির বিশেষ কোনও ল্যান্ডমার্ক দিয়ে। যেটি সেই দেশ ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই। যেমন মিশরের নাম বললেই পর্যটকদের চোখে ভেসে ওঠে পিরামিডের ছবি। পর্যটকেরা ভারতকে চেনেন তাজমহলের দেশ, ফ্রান্সকে আইফেল টাওয়ারের দেশ, আমেরিকাকে স্ট্যাচু অফ লিবার্টির দেশ হিসেবে।

কিন্তু সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে অনেক দেশের থেকে এগিয়ে থাকা ইন্দোনেশিয়ার সেরকম কোনও ল্যান্ডমার্ক নেই। যা দেখে বিশ্ব চিনবে ইন্দোনেশিয়াকে। চিনবে ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। জুপ আভের মনে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ল্যান্ডমার্ক তৈরির স্বপ্ন দানা বেঁধেছিল। স্বপ্নটি প্রকাশ্যে আসতে সময় লেগেছিল সাত বছর।

জুপ আভে
হিন্দু পুরাণের ‘গরুড়’ হবেন ইন্দোনেশিয়ার ল্যান্ডমার্ক

ইন্দোনেশিয়ার মোট জনসংখ্যার ৮৬.৭০% ইসলাম ধর্মাবলম্বী হলেও ইন্দোনেশিয়ায় বাস করেন খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও কনফুসিয়াস অনুগামীরা। তাই জুপ আভে এমন একটি ল্যান্ডমার্ক তৈরি করার কথা ভেবেছিলেন যেটি হবে অবিতর্কিত। ১৯৫০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে, ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় প্রতীক হল হিন্দু ও বৌদ্ধ পুরাণে বর্ণিত বিশালকায় পক্ষী ‘গরুড়’। ঋষি কশ্যপ ও বিনতার পুত্র গরুড় বা গরুৎমান হলেন শ্রীবিষ্ণুর বাহন এবং বৈদিক জ্ঞানের প্রতীক।

বহুধর্মের দেশ হলেও ইন্দোনেশিয়ার সমাজজীবনের প্রতিটি স্তরে জড়িয়ে আছেন ‘গরুড়’। তিনি ইন্দোনেশিয়ায় সৌভাগ্যের প্রতীক। তিনি ইন্দোনেশিয়ার সামাজিক বৈচিত্রের মধ্যে একতার প্রতীক। তিনি কঠোর হস্তে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করেন। তাই খ্রিস্টানধর্মী জুপ আভে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, এক অতিকায় গরুড়মূর্তিই হবে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ল্যান্ডমার্ক। যেহেতু গরুড় ও শ্রীবিষ্ণু অবিচ্ছেদ্য, তাই মূর্তিটিতে গরুড়ের সঙ্গে থাকবেন শ্রীবিষ্ণুও। যাঁকে ইন্দোনেশিয়ার মানুষেরা চেনেন ‘উইষ্ণু’ নামে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় প্রতীক ‘গারুডা পানচাসিলা
ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্ট তখন সুকর্ণের পুত্র হাজি মহম্মদ সুহার্তো

১৯৮৯ সালে, ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় প্রেসিডেন্ট সুহার্তোকে জাতীয় ল্যান্ডমার্ক তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন জুপ আভে। প্রস্তাবটি শুনে অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট সুহার্তো। পরের বছরেই ইন্দোনেশিয়ার প্রাদেশিক সরকারগুলির সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় ল্যান্ডমার্ক তৈরির ব্যাপারে বৈঠক হয়েছিল। শুরু হয়ে গিয়েছিল ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা‘ (GWK) প্রজেক্টের প্রাথমিক প্রস্তুতি। ‘কেনচানা’ শব্দটি এসেছে ‘কাঞ্চন’ থেকে, যার অর্থ সোনা।

জুপ আভে মূর্তি তৈরির ব্যাপারে কথা বলেছিলেন ইন্দোনেশিয়ার বিখ্যাত ভাস্কর নিয়োমান নুয়াত্রার সঙ্গে। ভাস্কর নুয়াত্রারও বহুদিনের ইচ্ছা ছিল, ‘ম্যাগনিফিকেশন স্কেল’ ও ‘প্যাটার্ন সেগমেন্টেশন’ টেকনোলজির সাহায্যে অতিকায় মূর্তি বানানোর। প্রস্তাবটি পেয়ে নুয়াত্রা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ‘স্কেল এনলার্জমেন্ট টেকনোলজি’ দিয়েই ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ স্ট্যাচুটি বানাবেন। প্রায় দেড়বছর ধরে স্ট্যাচুটির নকশা তৈরি করেছিলেন ভাস্কর নুয়াত্রা।

নকশা তৈরির পর নুয়াত্রা জুপ আভেকে জানিয়েছিলেন, বেদী নিয়ে ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ স্ট্যাচুর উচ্চতা হবে ৪০০ ফুট। বেদী ছাড়া স্ট্যাচুটির উচ্চতা হবে ২৫০ ফুট এবং প্রস্থ ২১৩ ফুট। আমেরিকার স্ট্যাচু অফ লিবার্টির (৩০৫ ফুট) থেকেও ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ স্ট্যাচু হবে ৯৫ ফুট উঁচু। আনন্দে জুপ আভে জড়িয়ে ধরেছিলেন নুয়াত্রাকে। ১৯৯৩ সালে পর্যটন দফতরের ডিরেক্টর থেকে পর্যটনমন্ত্রী হয়ে গিয়েছিলেন জুপ আভে। মন্ত্রী হয়েই তিনি রাষ্ট্রপতি সুহার্তোকে দিয়ে ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা প্রজেক্টটির জন্য অর্থ অনুমোদন করিয়ে নিয়েছিলেন।

প্রেসিডেন্ট হাজি মহম্মদ সুহার্তো
কাজ শুরু করেছিলেন ভাস্কর নুয়োমান নুয়াত্রা

১৯৯৭ সালে প্রজেক্টটি সরকারিভাবে উদ্বোধন করা হয়েছিল। ভাস্কর নিয়োমান নুয়াত্রা, কয়েকশো শিল্পী ও কারিগরকে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন জাভা। পশ্চিম জাভার নুয়ার্ট ওয়ার্কশপে শুরু হয়েছিল ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ স্ট্যাচু তৈরির কাজ। ওয়ার্কশপে বানানো হয়েছিল ৭৫৪ টি মোমের ছাঁচ। ফাইবার গ্লাস, তামা ও পেতল গলিয়ে ছাঁচগুলির মধ্যে ঢেলে ছাঁচের আকার দেওয়া শুরু হয়েছিল। ঢালাইয়ের কাজের জন্য তামা আনা হয়েছিল জাপান, চিন ও লাতিন আমেরিকা থেকে। পিতল আনা হয়েছিল জার্মানি থেকে।

কিন্তু এক বছর যেতে না যেতেই, ইন্দোনেশিয়ার বুকে উঠেছিল পালাবদলের ঝড়। প্রায় তিন দশক প্রেসিডেন্টের পদে থাকার পর, ১৯৯৮ সালের ২১ মে, প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে গিয়েছিলেন সুহার্তো। নতুন প্রেসিডেন্ট হয়ে এসেছিলেন বাসারুদ্দিন জুসুফ হাবিবাই। মন্ত্রীর পদ হারিয়েছিলেন জুপ আভে। থমকে গিয়েছিল স্ট্যাচু তৈরির কাজ। বাধ্য হয়ে ভাস্কর নুয়াত্রা ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ স্ট্যাচুর বিভিন্ন অংশ নিয়ে ২০০০ সালে যোগ দিয়েছিলেন একটি শিল্পমেলায়। মনে আশা, যদি কোনও কোম্পানি এগিয়ে আসে প্রজেক্টটি সম্পূর্ণ করার জন্য।

ভাস্কর নিয়োমান নুয়াত্রা

এগিয়ে এসেও অজানা কারণে পিছিয়ে গিয়েছিল কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। অনিশ্চয়তার সমুদ্রে উদ্দেশ্যহীনভাবে ভেসে চলেছিল জুপ আভের স্বপ্নের ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ প্রজেক্ট। ২০০৯ সাল নাগাদ, বালির গভর্নর মাদে মাংগকু পাস্তিকা প্রজেক্টটি শুরু করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু এত বড় মূর্তি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ যোগানো সহজ ছিল না বালি সরকারের পক্ষে। ২০১২ সালে অর্থের অভাবে চিরতরে বন্ধ হতে বসেছিল জুপ আভের স্বপ্নের প্রজেক্ট।

এগিয়ে এসেছিলেন হারজানতো তিরতোহাদিগুনো

জুপ আভের স্বপ্নের সমাধি হওয়ার মুহুর্তে এগিয়ে এসেছিলেন ইন্দোনেশিয়ার তরুণ উদ্যোগপতি হারজানতো তিরতোহাদিগুনো। তাঁর রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ‘পিটি আলম সুতেরা টিবিকে’ অধিগ্রহণ করেছিল ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ প্রজেক্ট। অর্থের অভাব মিটে যাওয়ায় দ্রুতগতিতে এগোতে শুরু করেছিল স্ট্যাচু তৈরির কাজ।

চলছে ৭৫৪টি খণ্ড জোড়ার কাজ।

জাভার ওয়ার্কশপে স্ট্যাচুটির বিভিন্ন অংশ তৈরির কাজ শেষ হওয়ার পর, জাভা থেকে বালিতে নিয়ে আসা হয়েছিল স্ট্যাচুটির ৭৫৪ টি খণ্ড। খণ্ডগুলির মোট ওজন ছিল প্রায় ৩০০০ টন। বালি দ্বীপে আনার আগে, স্ট্যাচুটির আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা যাচাই করার জন্য, বিশেষজ্ঞদের দিয়ে নানান পরীক্ষা চালিয়েছিলেন ভাস্কর নুয়াত্রা। জানা গিয়েছিল ২৫০ কিলোমিটার বেগে আসা সামুদ্রিক ঝড়, রিখটার স্কেলের আট মাত্রার ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বজ্রপাতেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ল্যান্ডমার্ক ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ স্ট্যাচু।

হিন্দুপ্রধান বালি দ্বীপের দক্ষিণে উনগাসান পাহাড়ের কাছে সমতলভূমিতে প্রায় ১৪৮ একর জায়গা জুড়ে তৈরি করা হয়েছিল ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা সাংস্কৃতিক উদ্যান’। উদ্যানের মাঝে ভূমিপূজা করে আগেই তৈরি করা হয়ে গিয়েছিল ১৫০ ফুট উঁচু বেদী। যার ওপর রাখা হবে ২৫০ ফুট উচ্চতার স্ট্যাচুটিকে। বেদী তৈরির জন্য ভারত থেকে আনা হয়েছিল সিমেন্ট ও মরচে প্রতিরোধক বিশাল বিশাল স্টিলের বিম। স্ট্যাচুটিকে বেদীতে বসাবার আগে ‘মেলাসপাস’ নামের স্থানীয় হিন্দুরীতি মেনে বেদীটির শুদ্ধিকরণ হয়েছিল। তারপর শুরু হয়েছিল ৭৫৪ টি খণ্ড জোড়ার কাজ। স্ট্যাচুটির আকৃতি এতই জটিল, খণ্ডগুলিকে জুড়তে হিমশিম খেয়েছিলেন বিশ্বের সেরা ইঞ্জিনিয়ারাও।

চলছে ধ্যানমগ্ন শ্রীবিষ্ণুর মাথায় মুকুট পরানোর কাজ।

বেদীর ওপর স্ট্যাচুটিকে বসানোর পর স্টাচুর গায়ে বসানো হয়েছিল, সোনা আর কাঁচ মিশিয়ে তৈরি করা সোনালি সবুজ রঙের টাইলস। টাইলসগুলি বানিয়েছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আর্টিস্টিক টাইলস নির্মাণ সংস্থা ‘সিসিস’। প্রায় দু’হাজার ঘন্টা ধরে স্ট্যাচুর গায়ে বসানো হয়েছিল টাইলসগুলি। শ্রীবিষ্ণুর মুকুট ও গলার হার তৈরিতে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সোনা লেগেছিল। সব শেষে শ্রীবিষ্ণুকে পরানো হয়েছিল মুকুট। মুকুট পরানোর আগে ঈশ্বরের(সাং হিয়াং উইধি ওয়াসা) কাছে কৃপা ভিক্ষা করা হয়েছিল।

১৯৯৩ সালে শুরু হওয়া এই অবিশ্বাস্য কর্মযজ্ঞের সমাপ্তি ঘটেছিল ২০১৮ সালে

প্রায় প্রায় দেড়শো মিলিয়ন ডলার ব্য়য়ে, বিশ্বের বিস্ময় হয়ে সবুজের বুকে জেগে উঠেছিল ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ স্ট্যাচু। অবাক হয়ে বিশ্ব দেখেছিল, আগুনের সবুজ শিখার মতো দেখতে বিশালাকায় ‘গরুড়’ তাঁর নখ দিয়ে আঁকড়ে আছেন কংক্রিটের বিশাল বেদী। তাঁর তীক্ষ্ণ নজর পড়েছে ইন্দোনেশিয়ার মাটিতে। গরুড়ের পিঠে ধ্যানমগ্ন শ্রীবিষ্ণু। মুখাবয়বে বিরাজ করছে অসীম প্রশান্তি।

গারুডা উইষ্ণু কেনচানা স্ট্যাচু

মূর্তিটির মধ্যে মিশে আছে প্রযুক্তিবিজ্ঞান ও শৈল্পিক চেতনা। মিশে আছে ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস। বেদীর উচ্চতা মূর্তিটির সঙ্গে যোগ করলে, এই স্ট্যাচুর চেয়ে সারা পৃথিবীতে উচ্চতায় এগিয়ে আছে মাত্র তিনটি স্ট্যাচু। ভারতের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল (৭৮৭ ফুট), চিনের স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধ (৪৮৩ ফুট) এবং মায়ানমারের লেকিউং সেক্কায়া বুদ্ধের (৪২৪ ফুট) স্ট্যাচু।

ইন্দোনেশিয়ার সপ্তম রাষ্ট্রপতি জোকো উইডোডো, ২০১৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, দেশবাসীকে উৎসর্গ করেছিলেন ‘গারুডা উইষ্ণু কেনচানা’ স্ট্যাচু। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, সমগ্র ইন্দোনেশিয়ার সৌভাগ্য বয়ে আনবে এই  স্ট্যাচু। উপস্থিত ছিলেন ভাস্কর নিয়োমান নুয়াত্রা। জুভ আভের স্বপ্নকে সফল করার পণ নিয়ে, পারিবারিক জীবন ভুলে যিনি কাটিয়ে দিয়েছিলেন পঁচিশটি বছর। স্বপ্ন দেখার ৩৮ বছর পর, সর্বধর্ম সমন্বয়ের প্রতীক হয়ে, এভাবেই ইন্দোনেশিয়ার আকাশ ছুঁয়েছিল জুভ আভের স্বপ্ন।

তবে স্বপ্নপূরণের দিনে, ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ল্যান্ডমার্কটি দেখার জন্য উপস্থিত ছিলেন না জুভ আভে। উপস্থিত ছিলেন না প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হাজি মহম্মদ সুহার্তোও। ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে নিশ্চিন্তে সঁপে দিয়ে; উদ্বোধনের অনেক আগেই, না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিলেন তাঁরা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More