কীটনাশক খাইয়ে খুন দুই দলিত কিশোরী, প্রত্যাখ্যানে ‘রেগে গিয়ে’ এই কাণ্ড, ফের শিরোনামে উন্নাও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উন্নাওয়ে দুই কিশোরীর খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুই ব্যক্তি। আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশি জেরায় ইতিমধ্যেই অপরাধীরা স্বীকার করেছে, জলের সঙ্গে কীটনাশক মিশিয়ে খাওয়ানো হয়েছিল দুই কিশোরীকে। তাতেই মৃত্যু হয়েছে তাদের।

বুধবার উন্নাওয়ের অসোহার বাবুহারা গ্রামের ১৪, ১৫ ও ১৬ বছরের তিন কিশোরী বাড়ি ফেরেনি। এর পরে একটি চাষের ক্ষেত থেকে তিন কিশোরীকে উদ্ধার করা হয় অচেতন অবস্থায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে দু’জনের আগেই মৃ্ত্যু হয়েছে বলে দেখা যায়। তৃতীয় কিশোরীর অবস্থা সঙ্কটজনক, কানপুরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে।

Image result for Unnao Deaths: Two Accused Sent To 14-Day Judicial Custody

তদন্তে জানা যায়, কীটনাশক খেয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই কিশোরীর। এর পরেই শুরু হয় তদন্ত। তদন্তে উঠে আসে চার জনের নাম। প্রধান অভিযুক্ত বিনয় ওরফে লম্বু এবং এক নাবালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই নাবালকের ভূমিকাই সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল এই খুনের ঘটনায়। পরে অবশ্য ওই নাবালকের আধার কার্ড দেখে জানা যায়, ১৮ বছর বয়স হয়ে গেছে তার।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মূলত এক পাক্ষিক প্রেমের থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত বিনয় জানিয়েছে, এই লকডাউনে তাঁর দুই কিশোরীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তারা প্রায়ই ক্ষেতে দেখা করত, আড্ডা দিত। দুজনের মধ্যে এক কিশোরীকে তার পছন্দও হয়েছিল, তবে সে প্রত্যাখ্যান করে। মোবাইল নম্বরও দিতে অস্বীকার করে। এতেই ‘রেগে গিয়ে’ মেয়েটিকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় বিনয়।

পুলিশ জানিয়েছে, খাবার জলের বোতলে কীটনাশক মিশিয়ে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। ক্ষেতের মধ্যেই ওই জলের বোতল কিশোরীকে দিয়েছিল তারা, তার পরে গেছিল ‘স্ন্যাক্স’ আনতে। ততক্ষণে তিন কিশোরীই ওই জল খেয়ে ফেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে স্ন্যাকসের প্যাকেট, সিগারেটের টুকরো, খালি জলের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। বিনয়ের কল রেকর্ডও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More