শিবকুমারকে দেখতে তিহাড় জেলে সনিয়া গান্ধী, অম্বিকা সোনি

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কর্ণাটকে জেডি এস ও কংগ্রেসের সরকারকে বাঁচাতে শেষ মুহূর্ত অবধি চেষ্টা করেছিলেন কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার। এখন টাকা তছরুপের দায়ে তিনি তিহাড় জেলে বন্দি। বুধবার জেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের অপর নেত্রী অম্বিকা সোনি ও শিবকুমারের ভাই ডি কে শিবকুমার। একটি সূত্রে জানা যায়, সনিয়া জেলবন্দি নেতাকে বলেছেন, ওদের সঙ্গে লড়াই করতেই হবে। ‘ওদের’ বলতে তিনি বিজেপিকে বুঝিয়েছেন বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

গত সেপ্টেম্বরে এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট তাঁকে গ্রেফতার করে। ইডি-র অভিযোগ, ৫৭ বছর বয়সী শিবকুমার কর ফাঁকি দিয়েছেন। সরকারকে না জানিয়ে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। শিবকুমারের ২৩ বছর বয়সী মেয়ে ঐশ্বর্যকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ইডি-র অফিসাররা জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে ঐশ্বর্যের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে তার পরিমাণ দাঁড়ায় ১০০ কোটি টাকা। পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পত্তি ১০০ গুণ বাড়ল কী করে, তা নিয়েই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

২০১৭ সালে গুজরাতে রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস নেতারা আশঙ্কা করেছিলেন, বিজেপি তাঁদের কয়েকজন বিধায়ককে কিনে নিতে পারে। শিবকুমার তখন বলেছিলেন, গুজরাতের ৪৪ জন কংগ্রেস বিধায়ককে তিনি কর্ণাটকের এক রিসর্টে রেখে দেবেন। বিজেপি তাঁদের নাগাল পাবে না। তার কিছুদিন পরেই আয়কর দফতরের অফিসাররা শিবকুমারের বাড়িতে হানা দেন। ২০১৭-র অগস্টে তাঁর বাড়ি ও কয়েকটি অফিসে তল্লাশি হয়।

গত সোমবার জেলে শিবকুমারের সঙ্গে দেখা করেছেন কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী। তিনি বলেন, শিবকুমার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। তাঁর কথায়, শিবকুমার যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। তাঁর আত্মবিশ্বাস আছে। যারা প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চায়, তারা শিক্ষা পাবে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More