কংগ্রেসের প্রচার ভালো হয়নি, চিন্তিত দলের নেতারাই

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গতবছর হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে বিজেপিকে হারানোর পরে রীতিমতো চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল কংগ্রেস। আশা করা হয়েছিল, লোকসভা নির্বাচনে তুমুল লড়াই হবে বিজেপির সঙ্গে। কিন্তু ভোটের যখন মাত্র আর এক দফা বাকি, তখন দলের শীর্ষ পদাধিকারীরা বলছেন, প্রচার ঠিকমতো হয়নি। কংগ্রেসের বক্তব্য মানুষের কাছে ঠিকমতো পৌঁছে দেওয়া যায়নি। নানা ভুল পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বিরোধী দলগুলির সঙ্গে জোটও করা যায়নি। এর ফলে ভোটে ক্ষতি হবে কংগ্রেসের।

ভোটের ফলপ্রকাশ হবে ২৩ মে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশা করছেন, ফিরে আসবেন। পর্যবেক্ষকরাও বলছেন, তাঁর ফের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কংগ্রেসের দুই নেতা এক বিদেশী সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, কংগ্রেসের প্রচারের মূল বিষয় ছিল ন্যায় প্রকল্প। যাতে বলা হয়েছে, দেশের সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলিকে বছরে ৭২ হাজার টাকা আয়ের সুযোগ করে দেওয়া হবে। কিন্তু ১১ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের মাত্র চারদিন আগে ওই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়। সেই তুলনায় বিজেপির প্রচার ছিল খুবই জোরালো। কেউ বলতে পারবে না, তাদের বক্তব্য মানুষের কাছে পৌঁছয়নি। সংবাদপত্রের প্রথম পাতায়, টিভিতে, সোশ্যাল মিডিয়ায়, পথের ধারে বিলবোর্ডে, সর্বত্র প্রচারে কংগ্রেসের থেকে অনেক এগিয়েছিল বিজেপি।

একটি হিসাবে দেখা যায়, ৩০ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১১ টি হিন্দি চ্যানেলে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর তুলনায় মোদী তিন গুণ প্রচার পেয়েছেন। কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশিত হয়েছে অনেক দেরিতে। আসলে প্রচারের ঝড় তোলার জন্য ভিতরে ভিতরে যে প্রস্তুতি দরকার ছিল তা নেওয়া হয়নি। পূর্ব ভারতের এক কংগ্রেস প্রার্থী বলেন, কংগ্রেস কর্মীরাই জানেন না, দল কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা পি চিদম্বরম অবশ্য বলেছেন, আমি মনে করি, নির্বাচনী প্রচার থেকে যদি কেউ লাভবান হয়ে থাকেন, তিনি রাহুল গান্ধী। নির্বাচনী প্রচারে যদি কেউ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তিনি নরেন্দ্র মোদী। কংগ্রেসের আশা রাজস্থানের মতো কয়েকটি রাজ্যে ভালো ফল করবে।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More