নিশীথ-জগন্নাথ কি সাংসদ পদ ছাড়বেন, নাকি বিধায়ক পদ?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একুশের ভোটে চার সাংসদকে বাংলায় প্রার্থী করেছিল বিজেপি। গণনার পর দেখা গিয়েছে দু’জন জিতেছেন, দু’জন হেরে গিয়েছেন।

এখন প্রশ্ন হল, কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক এবং রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার দিনহাটা এবং শান্তিপুর থেকে জেতার পর কী করবেন? সাংসদ পদ ছাড়বেন নাকি বিধায়ক পদ?

এই দুই সাংসদই এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্যে করতে রাজি নন। তবে ঘরোয়া আলোচনায় তাঁরা জানিয়েছেন, দল যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই হবে।

সাংসদ পদ ছাড়লে দুটি লোকসভা আসনে আবার ভোট হবে। কিন্তু তা হলে কি বিজেপি দুটি লোকসভা আসন ধরে রাখতে পারবে? কারণ উনিশে ভোট হয়েছিল মোদী হাওয়ায়। আর লোকসভায় উপনির্বাচন হলে তা মমতা ২১৩ হওয়ার পর হবে। দুটো ভিন্ন পরিস্থিতি। অনেকের মতে সংসদের সংখ্যায় সেই ঝুঁকি হয়তো বিজেপি নেবে না। সেক্ষেত্রে নিশীথ এবং জগ্ননাথ হয়তো বিধায়ক পদ ছাড়বেন। তাতেও দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে। তাও বিজেপি ধরে রাখতে পারবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

একুশের ভোট দেখে অনেকে বলছেন ২০০১-এর কপি-পেস্ট। সেবার সিপিএম বিরোধিতার হাওয়া তৈরি করতে পেরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারে আসছেন ধরেই নিয়েছিলেন দিদি।

কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে বামেরা।

একুশের ভোটও যেন তেমন। নরেন্দ্র মোদী এসে বলে গিয়েছিলেন, তিনি বাংলার মানুষের মনোভাব বুঝতে পারছেন। মানুষ দিদির শাসন থেকে মুক্তি চাইছেন। অমিত শাহ বলেছিলেন ২০০ পার করে জিতবেন। হয়তো ভিতরে ভিতরে এতটাই আত্মবিশ্বাসী ছিল বিজেপি যে সরকার হয়েই গিয়েছে। হ্যতো মন্ত্রী করবে বলে দাঁড় করানো হয়েছিল চার সাংসদকে। কিন্তু ২ মে ফাইনাল হুইসেল বাজার পর ভোটের রেফারি নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, বিজেপির দুই সাংসদ জিতেছেন। দু’জন হেরে বসেছেন। হেরে যাওয়াদের মধ্যে আবার একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় হেরে গিয়েছেন চুঁচুড়া কেন্দ্রে। আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় হেরে গিয়েছেন টালিগঞ্জে অরূপ বিশ্বাসেরে কাছে। ফলে তাঁরা সাংসদই থাকছেন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More